Decision Maker Blog
  • Home
  • Blog
  • FAQ
  • Archive
  • News
  • Facilities
  • Club
    • Join Us
    • Registration
    • Member Login
    • Password Reset
    • Profile
  • Contact
Select Page

Derivatives market

বিএসইসি সূত্রে জানা যায় গত ২৩শে এপ্রিল ২০১৯ কমিশনের ৬৮৩ তম সভায় পুঁজি বাজার উন্নয়নে নূতন তিনটি আইন প্রণয়নের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এই তিনটি আইনগুলি হল যথাক্রমে: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ডেরিভেটিভস) রুলস, ২০১৯, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ইনভেস্টমেন্ট সুকুক) রুলস,২০১৯ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (শর্ট-সেল) রুলস, ২০১৯ যা জনমত জরিপ শেষে মে মাসের মাঝামাঝি চূড়ান্ত অনুমোদন করা হতে পারে।

ডেরিভেটিভ বাজার:

কৃষিপণ্য, বেজ মেটাল তথা স্বর্ণ, রূপা ইত্যাদি ডেরিভেটিভস ইন্সট্রুমেন্ট ধরে কমোডিটি ডেরিভেটিভস বোঝানো হয়েছে। ডেরিভেটিভ হচ্ছে- সিকিউরিটি যা ডেব্ট ইন্সট্রুমেন্ট, শেয়ার, সিকিউরড অথবা আন-সিকিউরড লোণ, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অথবা বিভিন্ন মূল্যমান কন্ট্রাক্টকে বোঝানো হয়েছে। এক্সচেঞ্জের মধ্যে উল্লিখিত ডেরিভেটিভস গুলো তালিকাভুক্ত এবং লেনদেন হওয়াকেই মূলত এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ডেরিভেটিভস বলে। আর এই এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ডেরিভেটিভস আইনে কিভাবে ডেরিভেটিভ পণ্য তালিকাভুক্তির আবেদন করবে, প্রোডাক্ট ডিজাইন কিভাবে হবে, কন্ট্রাক্ট নির্দিষ্টকরণ, ইলিজিবিলিটি ক্রাইটেরিয়া, কমপ্লায়েন্স রিপোর্টিং, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেরিভেটিভ কি?

ডেরিভেটিভ এর ব্যাপক অর্থে ব্যাবহার হয়ে থাকে; সাধারণ অর্থে  ডেরিভেটিভ হল একটি বেঞ্চ মার্ক বা মান অথবা দুই বা ততোধিক পার্টির মধ্যে চুক্তি। উধাহারন সরূপ স্বর্ণ এর ভরির বর্তমান দর ধরা যাক ৪৫,০০০ টাকা, রহিম এক ভরি আগামী ৬ মাস পরে করিমের নিকট হতে ৪৮,০০০ টাকা দরে বুঝে নিবে তা বাজার দর যাই হোক না কেন। এখন ৬ মাস পরে এক ভরি স্বর্ণ এর বাজার দর যাই হোক না কেন ডেরিভেটিভ চুক্তি অনুযায়ী রহিম ৪৮,০০০ টাকাই করিমকে বুঝে দিবে, এখন মেয়াদান্তে যদি স্বর্ণ এর ভরি ৫০,০০০ টাকা হয় তাহলে রহিমের ২ হাজার টাকা লাভ আর ৪৬,০০০ টাকা হলে রহিমের ২ হাজার টাকা লস হবে।  এটা বাংলাদেশে বিভিন্ন তেল কোম্পানি ও কাঁচাবাজারের ( ঢাকার কাওরান বাজার, চট্টগ্রামের খাতুন গঞ্জ ইত্যাদি) ডিও ব্যবসার মত অর্থাৎ মেয়াদ শেষ হবার আগেই যদি রহিম ৪৫ হাজারের অতিরিক্ত দর পেয়ে যায় তাহলে তিনি তা ডেরিভেটিভ বাজার এ বিক্রয় করে মুনাফা তুলে নিতে পারবেন। ডেরিভেটিভ বাজারে সাধারণত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার, সূচক, বন্ড, কমোডিটি, কারেন্সি ও সূদের হার ইত্যাদি লেনদেন হয়ে থাকে। প্রচলিত ডেরিভেটিভে ভবিষ্যৎ চুক্তি, ফরোয়ার্ড সেল, অপশন, অদলবদল ইত্যাদি টার্মস থাকে।

ডেরিভেটিভ বাজারের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ:-

সুবিধা:

  • ১. দর পূর্বনির্ধারিত থাকে
  • ২. এটি পোর্টফলিওতে বৈচিত্র্য আনে তথা Diversify করে
  • ৩. ঝুঁকির বিপরীতে হেজ তথা ইনস্যুরেন্সের মত কাজ করে

অসুবিধা:

  • ১. পুরোটাই ভবিষ্যৎ স্পেকুলেশন নির্ভর ফলে বাজার দর কত হবে তা বুঝা মুশকিল
  • ২. শতভাগ বুজে উঠাটা খুবই জটিল এবং
  • ৩. সরবরাহ ও চাহিদার উপর নির্ভরশীল বিধায় অতি সংবেদনশীল।

আন্তর্জাতিক মানের ডেরিভেটিভ বাজার  প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের জন্য ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, জনসচেতনতা, প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার, আইটি ও যন্ত্রের অভাব রয়েছে তথাপিও কিছুটা দেরীতে হলেও বাংলাদেশ সিকুইরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার ও চ্যালেঞ্জ। ডেরিভেটিভ বাজারে প্রচলিত কিছু বিষয় রয়েছে যেমন মার্জিন ট্রেড, আরবিট্রেজ, হেজিং এন্ড স্পেকুলেশন, শর্ট সেল, নেটিং ইত্যাদি। আজ আমরা শেষের দুইটি অর্থাৎ শর্ট সেল এবং নেটিং নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করব।

শর্ট সেল কি ও কেন?

বাংলাদেশের পুঁজি বাজারে শর্ট সেল বর্তমানে নিষিদ্ধ হলেও এটি সম্পর্কে কম বেশি সবাই কিছুটা হলেও ধারণা রাখেন যদিও এটির ব্যাবহার সম্পর্কে সাধারণ বিনিয়োগকারী এখনো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। পুঁজি বাজারে বিনিয়োগকারীদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হল মুনাফা করা, সাধারণত কোন শেয়ার, বন্ড বা মিউচুয়াল ফান্ডের ভবিষ্যৎ ভাল তথা বাজার দর বৃদ্ধি পেতে পারে ধরে নিয়ে বিনিয়োগকারীগণ প্রথমে ক্রয় করে পরবর্তীতে কিছুটা বেশি দরে বিক্রয় করে মুনাফা তুলে নেন; আর শর্ট সেল হল এর বিপরীত অর্থাৎ আগে বিক্রয় করে পরবর্তীতে কম দরে বাই ব্যাক করে মাঝখানে যে গ্যাপ সেটাই হল মুনাফা।শর্ট সেলের ক্ষেত্রে কোন বিনিয়োগকারী তার নিজস্ব পোর্টফলিওতে নির্দিষ্ট শেয়ার না থাকলেও ব্রোকারেজ হাউজ থেকে ধার করে বিক্রয় করে দিয়ে থাকেন এবং পড়ে বাজার দর কমলে অথবা ব্রোকারেজ হাউজের যার পোর্টফলিও থেকে শেয়ারটি বিক্রয় করা হয়েছিল (মূল মালিক) তিনি যখন চাইবেন তখন তাকে বাজার দরে ক্রয় করে দিবেন। যিনি ধার করে শর্ট সেল করে থাকেন তার বিক্রয় মূল্য ও ক্রয় মূল্যের তফাৎ থেকে ব্রোকারেজ হাউজের বাই-সেল কমিশন, মার্জিন ঋণের সুদ এবং বাই ব্যাক করার পূর্বে শেয়ারটি যদি লভ্যাংশ ঘোষণার রেকর্ড তারিখ দিয়ে থাকে তবে লভ্যাংশ মূল মালিক কে ফেরত দিয়ে বাদ বাকি যেটা থাকে সেটাই তার মুনাফা।

শর্ট সেলের ভাল মন্দ:

ইতিপূর্বে দেখা গেছে বাংলাদেশে পতনশীল বাজারে একদল সুবিধাভোগী শর্ট সেল করে পতন ত্বরান্বিত করে বাজার ধ্বসে পরিণত করেছিল বস্তুত প্রয়োজনীয় নজরদারির অভাব ও সাধারণের অজ্ঞতার কারণে। এছাড়া শর্ট সেলের ঝুঁকির দিকটাও অবজ্ঞা করার কোন সুযোগ নেই, কোন শেয়ার শর্ট সেল করার পর যদি শেয়ারটির দর ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে কিংবা এরই মাঝে যদি শেয়ারটি বড় ধরণের লভ্যাংশ ঘোষণা করে বসে তবে শর্ট সেলারকে বড় ধরণের লোকসান গুনতে হয়, এছাড়া ব্রোকারেজ হাউজের উচ্চ কমিশন ও চড়া মার্জিন ঋণ তো রয়েছেই।

শর্ট সেল যে বাজারের জন্য অমঙ্গল বা সর্বদা খারাপ তা নয় বরং এর ভাল দিক ও রয়েছে। অকারণে কোন শেয়ার হু হু করে বৃদ্ধি পেয়ে অতি মুল্লায়িত হতে দেখলে শর্ট সেলারগণ সেল করে বাজারের সরবরাহ বৃদ্ধি করেন ফলে শেয়ারটির দর স্বাভাবিক হয়ে আসে। আবার বাধ্যতামূলক বাই ব্যাক করার দরুন কোন শেয়ারের দর কমলেও তা এক সময় পুনরায় বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

নেটিং কি ও বাংলাদেশের পুজিবাজারে এর প্রচলন:

সাধারণত নেটিং বলতে নির্দিষ্ট কোন শেয়ার একই দিনে ক্রয় বিক্রয় অথবা এক বা একাধিক শেয়ার বিক্রয় করে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে অন্য এক বা একাধিক শেয়ার ক্রয় করাকে নেটিং বলে। নেটিং এর ধরন অনুযায়ী দুই প্রকারঃ-

১. স্ক্রিপ্ট নেটিংঃ কোন শেয়ার একই দিনে দর বৃদ্ধি পেতে দেখলে শুরুতে ক্রয় করে পরে পোর্টফলিও থেকে ম্যাচিউরড সম পরিমাণ সেই শেয়ারটি বেশি দরে বিক্রয় করলে কিছু মুনাফা হয়ে থাকে- এটাই মূলত স্ক্রিপ্ট নেটিং। এছাড়াও শর্ট সেলের ক্ষেত্রে শুরুতে বেশি দরে বিক্রয় করে পরে কম দরে ক্রয় বা বাই বেক করাও স্ক্রিপ্ট নেটিং এর আওতায় পড়ে।

২. ফান্ড নেটিংঃ পোর্টফলিও থেকে এক বা একাধিক শেয়ার থেকে মুনাফা তুলে নিয়ে বিক্রয় করে বিক্রয়লব্ধ সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে অন্য এক বা একাধিক শেয়ার ক্রয় করাকেই ফান্ড নেটিং বলে। এছাড়াও শুরুতে এক বা একাধিক শেয়ার ক্রয় করে পরে সম পরিমাণ অর্থের মেচুরড শেয়ার বিক্রয় করে এডজাস্ট করাও ফান্ড নেটিং এর আওতায় পড়ে।

মার্জিন ঋণ, নেটিং ইত্যাদি বাংলাদেশ পুজিবাজারে নুতন কিছুই নয় তবে ডেরিভেটিভ বাজার এক্ষেত্রে একেবারেই নুতন আইডিয়া- এর প্রচলন হলে বিনিয়োগকারীগণ কতটুকু উপকৃত হবে তা প্রশ্নবিদ্ধ। ডেরিভেটিভ বাজারে কমোডিটি হিসেবে সোনা রুপা ক্রয় বিক্রয় কিন্তু পুরোটাই ভার্চুয়াল এবং এর উপর সাধারণের আস্থা কতটুকু তা ভেবে দেখার বিষয়। বর্তমানে বাজারে আস্থার অভাবে তারল্য সংকট দেখা যাচ্ছে, এখন ডেরিভেটিভ বাজার চালু হলে সেকেন্ডারি বাজার থেকেই মূল্ধন বেড়িয়ে যাবে মনে করে কেউ কেউ সংকিত। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি অন্য ভাবে দেখছেন, ডেরিভেটিভ বাজার চালু করলে বাজারের লিকুইডিটি বৃদ্ধি পাবে, লেনদেনের খরায় মৃত প্রায় ব্রোকারেজ হাউজগুলি লেনদেন বৃদ্ধি র ফলে সচল হয়ে উঠবে।

Trackbacks/Pingbacks

  1. Candlestick (ক্যান্ডেলস্টিক) | Decision Maker Blog - […] ডেরিভেটিভ/কারেন্সি প্রভৃতি অর্থনৈতিক বিষয়ে […]

Submit a Comment Cancel reply

You must be logged in to post a comment.

Blog Categories

Recent Posts

  • From 2007 To 2019
  • EOD 30-12-2019
  • EOD 29-12-2019
  • EOD 26-12-2019
  • EOD 24-12-2019
  • EOD 23-12-2019
  • EOD 22-12-2019
  • EOD 19-12-2019
  • EOD 18-12-2019
  • EOD 17-12-2019

Recent Comments

  • Aktarur.Rahman on টেকনিক্যাল এনালাইসিস কি?
  • Aktar on EOD 11-11-2019
  • hossaing on স্পেসেফিক স্টক নিয়ে আলোচনা ১৪
  • mhhossain on স্পেসেফিক স্টক নিয়ে আলোচনা ১১
  • jahiduln on AIL

Archives

  • Facebook
  • X
  • Instagram
  • RSS

Designed by Elegant Themes | Powered by WordPress